আমি রাজনীতি করি ইবাদত হিসেবে: শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, আমি রাজনীতি করি মানুষকে ভালোবেসে ইবাদত হিসেবে। তিনি বলেন, ১৬ জুন বোমা হামলায় আমার ২০ জন লোক মারা গেছেন। আমার চন্দন শীলের পা নেই, তিনি এখনো ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে কাজ করে চলেন। কোনো ধান্ধাবাজি করেন না। এতেই আমার গর্ব লাগে। বোমা হামলায় আমি রক্তের মধ্যে শুয়েও বলেছিলাম, আপনারা শেখ হাসিনাকে বাঁচান। আমরা ওই রকমের রাজনীতিই করি।

বুধবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান এসব কথা বলেন। নগরীর পুরাতন কোর্ট এলাকায় অবস্থিত পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য কাশেম হুমায়ুন, বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক, বিকেএমইএর সাবেক পরিচালক মাসুদুজ্জামান প্রমুখ।

শামীম ওসমান এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে বলেন, তোমরা জীবনে যদি ভালো কিছু করতে চাও, তবে বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব পালন কর। যে সন্তান তার মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন করবে, তাকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। আর যদি তোমার কারণে তোমার বাবা-মাকে কেউ অপমানিত করে তবে অন্ততপক্ষে প্রতিবাদ করতে না পারলেও সেই অপমানকারীর সঙ্গে আপস করিও না; তবে তোমাকে তুমি ক্ষমা করতে পারবে না। শামীম ওসমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, শেখ রেহানা তার বুকে হিমালয়সম কষ্ট চেপে আছেন। তিনি নিজের নামে কোনো স্থাপনা তো দূরে থাক একটি গাছও লাগাতে দেননি। আমি ডিও লেটার দিয়েছিলাম শেখ রেহানার নামে নারায়ণগঞ্জে একটি মেডিকেল কলেজ হোক। প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছিলেন শেখ রেহানাকে রাজি করাও। উনি দয়া করে, স্নেহ করে সেই অনুমতি দিয়েছিলেন। নারায়ণগঞ্জে শেখ রেহানা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হচ্ছে।